বিভিন্ন সরকারি বা বেসরকারি প্রথতষ্ঠানে কর্মরত অফিস প্রধান বা দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যাক্তিবর্গগে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহন ও বাস্তবায়নের জন্য সভার আয়োজন করতে হয়। সভায় আলোচিত বিষয় ও গৃহীত সিদ্ধন্তের রেজুলেশন লেখাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককগনকে বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড পরিচালনা ও বিদ্যালয়ের সার্বিক অবস্থা বিশ্লেষনের জন্য প্রতিমাসেই ম্যানেজিং কমিটির সভার আয়োজন করতে হয়। এই সভার রেজুলেশন বিভিন্নজন বিভিন্ন রকম করে লিখে থাকেন। রেজুলেশন লেখার জন্য সঠিক ছকটি আপনি দেখে নিতে পারেন, হয়ত আপনার কাজে লাগবে…
বর্তমানে সারাদেশে সরকারি অফিস আদালতে (মন্ত্রনালয় , অধিদপ্তর ,পরিদপ্তর ) ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্মারক নম্বর দেবার বিধান করা হয়েছে । যদিও অনেক অফিসে এখনও পূর্বের পদ্ধতিতেই স্মারক নং দেয়া হয়ে থাকে ।অনুমোদিত ও সংশোধিত ডিজিটাল নথি নম্বর পদ্ধতিটি পূর্ণ ডিজিটাল কোড দ্বারা সমন্বিত।কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে নথির সুষ্ঠু সংরক্ষণ ও নথির গোপনীয়তা রক্ষার্থে এই আধুনিক নথি নম্বর পদ্ধতিটির প্রবর্তন করা হয়েছে। ডিজিটাল নথি নম্বর ৭টি কোডের সমন্বয়ে গঠিত।নতুন নথি নম্বর প্রদানে ডিজিটাল পদ্ধতিটির কোডভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং ব্যবহার পদ্ধতি নিম্নরূপঃ নথি নম্বর ০০.০০০.০০০.০০.০০.০০০.০০০০ ক)মন্ত্রণালয়/বিভাগের কোডঃ নথি নম্বরের ১ম অবস্থানে সন্নিবেশিত হবে।এই কোড দুই অংক বিশিষ্ট হবে। খ)দপ্তর/ইউনিট/কোষ/শাখা/অধিশাখা/অনুবিভাগ কোডঃ নথি নম্বরের ২য় অবস্থানে সন্নিবেশিত হবে।এই কোড তিন অংক বিশিষ্ট হবে।প্রতিটি মন্ত্রণালয় তার বিভিন্ন দপ্তর/ইউনিট/কোষ/শাখা/অধিশাখা/অনুবিভাগ এর জন্য সমন্বিত কোড নম্বর প্রদান করে একটি তালিকা প্রকাশ করবে এবং স্থায়ী নথি নম্বর হিসেবে তা সংরক্ষণ করবে। গ)বিষয়ভিত্তিক শ্রেণীবিন্যাস কোডঃ নথি নম্বরের ...
Comments
Post a Comment