Posts

করোনায় করণীয়

সম্প্রতি মার্কিন গবেষক ড. ক্রেইগ কন্সিডাইন তার এক প্রতিবেদনে করোনা প্রতিরোধে মহানবী (সা:) এর কথা উল্লেখ করেছেন। এর উদাহরণ হিসেবে মোহাম্মাদ (সা.)-এর সময়ের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেন মার্কিন এই গবেষক। তিনি তিরমিজি শরিফের বরাত দিয়ে লিখেন, ‘একদিন, নবী এক বেদুইনকে লক্ষ্য করলেন যে, সে তার উটটি না বেঁধে চলে যাচ্ছে। তখন তিনি বেদুইনকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুমি তোমার উটটি বেঁধে রাখছো না কেন?’ জবাব বেদুইন বললো, ‘আমি আল্লাহ উপর ভরসা রেখেছি।’ তখন নবী বললেন, ‘তোমার উটটি আগে বেঁধে রাখ, তারপর আল্লাহ উপর আস্থা রাখ।’ ঘটনাটা জেনে সত্যিই অবাক হয়েছি। আল্লাহর প্রিয় বান্দা যেখানে সব কিছু আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়ে বসে থাকেন নি সেখানে চলতি পথে অনেককেই দেখলাম কোন রকম সতর্কতা ছাড়াই বলছেন করোনা আল্লাহ দিছেন আল্লাহই বাচাবেন। না নিজেরা সতর্ক না হয়ে শুধু আল্লাহকে ডাকলে কখনই এ থেকে পরিত্রান পাওয়া যাবে না।বরং এটাকে একটু ভিন্ন ভাবে এবং কিছু সুযোগ হিসাবে দেখলে আমার আপনার কাজটা অনেক সহজ হয়। ১। অনেকেই বলছেন এটা নাকি আল্লাহর গজব। এটাকে গজব না ভেবে বরং পরীক্ষা ভাবুন। বিশ্বাসীরা জানেন আল্লাহ আমাদের নানাভাবে পরীক্ষা করেন।...

করোনা চলে গেলে যা ফিরে আসবে

বিশ্বজুরে করোনার আতংকে সবাই এখন এর বিদায়ের প্রহর গুনছে।কিন্তু করোনা গেলে যা আবারও ফিরে আসবে ১। শারীরিক অক্ষম আর বৃদ্ধ বয়সে একাকী জীবন পার করা মানুষের একাকিত্ব করোনার বিদায়ে আবারও ফিরে আসবে। ইচ্ছায় আর অনিচ্ছায় যাই হোক মাত্র ১৪ দিন বাড়িতে থাকতে পারছিনা বলা আদিখ্যেতা দেখানো মানুষগুলো এ সময়টা অন্তত কাছে আছে। ২। নাস্তিকতা ভুলে কিছুটা আস্তিক হওয়া মানুষগুলো আবারও আগের ফর্মে ফিরে যাবে। ৩।ভেদাভেদ ভুলে এক কাতারে এসে দাড়ান রাজনৈতিক দলগুোলো আবারও কাদা ছুড়াছুড়ির রাজনীতিতে জরিয়ে পড়বে। ৪। অকারন জনসমাগম বা রাস্তায় ভীর না করা মানুষগুলো আবারও ভীর করবে। ৫। বর্তমানে মুখে মাস্ক থাকায় যখন তখন যেখানে সেখানে থুথু বা পানের পিক না ফেলতে পারার সুন্দর বিষয়টি দুর হয়ে যখন তখন অয়াক থু করে পিক বা থুতু ফেলবে। ৬। রাস্তাঘাটে মানুষ কম থাকার কারনে বায়ুদুষনের মাত্রা,যে কমে গেছে তা আবারও বেড়ে যাবে। ৭।

করোনা প্রতিরোধে হাত ধুতে জন্মদিনের গান ও কিছু প্রয়োজনীয় টিপস।

করোনভাইরাস রোগের মতো শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসগুলি (কোভিড -১৯) ছড়িয়ে পড়ে যখন ভাইরাসযুক্ত শ্লেষ্মা বা ফোঁটাগুলি আপনার চোখ, নাক বা গলার মাধ্যমে আপনার শরীরে প্রবেশ করে। প্রায়শই, এটি আপনার হাত দিয়ে ঘটে। ভাইরাসটি একজন ব্যক্তির থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়িয়ে যাওয়ার অন্যতম সাধারণ উপায় হচ্ছে হাত। বিশ্বব্যাপী মহামারী চলাকালীন, ভাইরাসের বিস্তার রোধ করার অন্যতম সস্তা, সহজতম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায় হ'ল সাবান এবং জল দিয়ে আপনার হাত ঘন ঘন ধুয়ে ফেলা। কীভাবে আপনার হাত সঠিকভাবে ধুয়ে নেওয়া উচিত তা সম্পর্কে আপনার যা জানা থাকাটা জরুরী। ১. কতক্ষণ আমার হাত ধুতে হবে? আপনার হাত কমপক্ষে ২০-৩০ সেকেন্ডের জন্য ধোয়া উচিত। এটির সহজ উপায় হ'ল দুইবার শুভ জন্মদিনের গান গাওয়া (Happy birthday to you. Happy birthday dear..... Happy birthday to you) হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ক্ষেত্রেও একই রকম।এমন স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন যাতে কমপক্ষে ৬০% অ্যালকোহল থাকে এবং সম্পূর্ণ কভারেজ নিশ্চিত করার জন্য কমপক্ষে ২০ সেকেন্ডের জন্য আপনার হাতে এটি ঘষতে হবে। ২. আমি কীভাবে আমার হাত ধুয়ে ফেলতে পা...

করোনা নিয়ে একটি কল্প কাহিনী

মোবাইল স্ক্রীনে চোখ পড়তেই চমকে ওঠে ডা: তৌফিক। ৬টা মিসকল। কল লিস্টের ডিটেইলে গিয়ে দেখতেই বুকের ধক ধকানি আরো বেরে যায়। সবগুলোই করেছেন জেলা সিভিল সার্জন। অত্যন্ত জরুরী প্রয়োজন না হলে কেউ এতবার কল করবে না। বাড়ি যাবার আনন্দ আর প্রথম সন্তানের মুখ দেখবার ব্যকুলতায় ব্যাগ গোছাতে গোছাতে মোবাইলের দিকে নজরই দিতে পারে নি। বের হওয়ার মুহুর্তে মোবাইল হাতে নিয়ে বাড়িতে ফেরার কথা জানাতে গিয়ে মিসকলগুলো নজরে আসে।একবার ভেবেছিল একেবারে বাড়ি গিয়েই কল করবে। কিন্ত দায়িত্বের কাছে আবেগের স্থান কোথায়? আতংকিত মনে বাড়িতে কল করার পরিবর্তে সিভিল সার্জনকে কল করে তৌফিক।রিং হবার শব্দে মনের ভিতরের ভয়টা যেন আরও জাকিয়ে বসে।মনে মনে বলে, আর যাই হোক বাড়ি যাওয়াটা যেন আটকে না যায়।কল রিসিভ হয় না। আবার কি কল করবে না চলে যাবে বুঝতে পারছে না। দ্বীতিয়বার কল করার সিদ্ধান্ত নেয়। কল রিসিভ হতেই ওপাশ হতে সিভিল সার্জনের উৎকন্ঠিত কন্ঠ কানে আসে। তৌফিক কোথায় থাক? কতবার কল করেছি জান তুমি! সরি স্যার, আমি খেয়াল করি নাই। স্যার কোন জরুরী প্রয়োজন। জরুরী না হলে কি এতবার ফোন দেয় কেউ! শোন, তোমার ছুটি বাতিল করা হয়েছে, ইনফ্যাক্ট সবারই বাতিল করা ...

স্বপ্ন

এমনই করে কাটিয়া দিব আমার সকল তিথি একাকি বিহনে গাহিবো গোপনে তোমারই স্বপ্ন গীতি। পুব আকাশে সূর্য উঠিবে আসিবে নতুন ভোর তুমি বিনে সখি মোর দিনমান একাকী বদ্ধ গোর। দুর করি লাজ এসো মোর প্রিয়া চুম দিই ঐ ঠোটে স্বপ্ন গুলো স্বপ্ন রবে সুখ নাহি মোর জোটে।

জেনা

সত্য বলি আজ ঘৃণিত আমি তোমারই অক্ষি পটে মিথ্যা বলিলে বুকে টেনে নেও এমনই ভাগ্য বটে। প্রেমের আগুনে ভাসলে বলো কামুক পুরুষ জাতি কাগজে লিখিয়া না পারিলে বলো অক্ষম পুরুষ অতি। কাগজে সহি না থাকলে, তা বৈধ হবে না যদি মত না থাকিলেও এমন কর্ম বৈধ কেমনে বলি? দুটি হৃদয়ের মিলনে যদি দেহের মিলন ঘটে জেনার দায়ে শাস্তি তখন ভাগ্যে তার জোটে। মতের অমতে বিবাহ যখন সভ্য সমাজে চলে জেনা তখন জায়েজ রয়েছে বহু বছর ধরে।

গোলাপ

কণ্টকাকীর্ণ কান্ডে বসে, একটি গোলাপ। ব্যাথাতুর মনে ঘৃনাভরা চোখে, করিছে বিলাপ। এত রুপ যদি দিয়াছ মোরে, তবু কেন হায়, নগন্য এক শ্রীহীন শাখে, দিয়েছ যে ঠাই। লাজে মরি মরি, কহিতে না পারি, গোপন কথা গুলি। যদি তারে পারি, দিয়ে সাথে আড়ি, মনের ব্যাথা ভুলি। কান্ড বসে ভাবে, মনে মনে হাসে, সখি আজ মোর পাশে। নিজেকে ছোট করি, উচ্চে তুলিয়া ধরি, আমি আজ রই গরবিনী। তুমি আজ পরী শুধা পান করি, আমারি শ্রীহীন শাখের। আমি যদি মরি তুমি যাবে ঝরি থাকে কি বল রুপের। তুমি যাবে ঝোরে মোর প্রান রসে ফুটিবে নতুন করে। ০৬/১০/১৯